• আমাদের সম্পর্কে
  • বিজ্ঞাপন
  • ক্যারিয়ার
  • যোগাযোগ
মঙ্গলবার, এপ্রিল ১৪, ২০২৬
No Result
View All Result
জয় বাংলা
  • হোম
  • মুক্তিযুদ্ধ
  • মানবতাবিরোধী অপরাধ
  • জাতীয়
  • সারাদেশ
  • জয়বাংলা ফিচার
  • শিক্ষাঙ্গন
  • খেলা
  • বিনোদন
  • অন্যান্য
  • হোম
  • মুক্তিযুদ্ধ
  • মানবতাবিরোধী অপরাধ
  • জাতীয়
  • সারাদেশ
  • জয়বাংলা ফিচার
  • শিক্ষাঙ্গন
  • খেলা
  • বিনোদন
  • অন্যান্য
No Result
View All Result
জয় বাংলা
No Result
View All Result
হোম প্রধান সংবাদ

ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সম্মেলন : নেতৃত্ব দৌঁড়ে অভিযুক্তরা

মে ১১, ২০১৮
in প্রধান সংবাদ, শিক্ষাঙ্গন
ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সম্মেলন : নেতৃত্ব দৌঁড়ে অভিযুক্তরা
Share on FacebookShare on Twitter

নিজস্ব প্রতিবেদক:

আজ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ২৯তম জাতীয় সম্মেলন। বিকাল ৩টায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

আর এই সম্মেলনের মাধ্যমেই নির্বাচিত হহবে সংগঠনটির পরবর্তী নেতৃত্ব।

সম্মেলনের পর একসঙ্গে কেন্দ্রীয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও মহানগরের কমিটি ঘোষণা করা হবে বলে জানা গেছে।

দলের প্রতি অনুগত, কর্মীবান্ধব, সৎ, যোগ্য ও মেধাবীদের হাতে ছাত্রলীগের পরবর্তী নেতৃত্ব তুলে দিতে কাজ করছে আওয়ামী লীগ। কোন ভাবেই যাতে অনুপ্রবেশকারী ও অপরাধীরা নেতৃত্বে না আসতে পারে এ লক্ষ্যে পদপ্রত্যাশীদের পারিবারিক ব্যাকগ্রাউন্ডও খোঁজা হচ্ছে। আমলে নেয়া হবে গোয়েন্দা সংস্থার অনুসন্ধানও।

তবে নেতা হওয়ার লক্ষ্যে দৌঁড়ঝাপ করছে সংগঠনটির বেশকিছু বিতর্কিত নেতা। যাদের অনেকের বিরুদ্ধে ছাত্রদল-শিবিরের সংশ্লিষ্টতা, বিএনপি-জামায়াতমনা পরিবার, ব্যবসায়ী, হত্যা মামলার আসামি, মাদক ব্যবসায়ী, বিবাহিত হওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্রের ধারা ৫ এর (গ) উপধারায় বলা আছে- ‘বিবাহিত, ব্যবসায়ী ও চাকরিতে নিয়োজিত কোনো ছাত্র ও ছাত্রী ছাত্রলীগের কর্মকর্তা হতে পারবে না। চলতি কার্যকালের মধ্যে কারও ছাত্রজীবনে ব্যত্যয় দেখা দিলে নির্বাহী সংসদ তার সদস্যপদ বাতিল বা মেয়াদ পর্যন্ত বহাল রাখতে পারবে।’

এছাড়া অভিযোগ উঠেছে বেশ কয়েকজন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের পদ প্রত্যাশী নেতার শিবির ও ছাত্রদল যোগসাজশের। ইতোপূর্ব তাদেরকে বিতর্কিত ভূমিকায় দেখা গেলেও ছাত্রলীগের অদৃশ্য সিন্ডিকেটের মনোনয়নে নেতৃত্বদৌড়ে তারা রয়েছেন এগিয়ে।

পদ প্রত্যাশী বিতর্কিতরা:

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিদার মুহাম্মদ নিজামুল ইসলামের বিরুদ্ধে রয়েছে বিস্তর অভিযোগ। তার বড় ভাই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের ছাত্র মু. সাইফুল ইসলাম শিমুল ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখার শিবিরের সদস্যপ্রার্থী ও বিজ্ঞান অনুষদের সাংগঠনিক সম্পাদক। এসময় চবিতে শিবিরের সাথে ছাত্রলীগের সংঘর্ষ হয় তাতে সে তৎকালীন এক ছাত্রলীগ কর্মীর পা ভেঙ্গে ফেলেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। পরবর্তীতে লন্ডনে গেলে তিনি জামায়তে ইসলামীর লন্ডন শাখার সাথে সম্পৃক্ত হন বলে অভিযোগ রয়েছে। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রামে আছেন ।

এছাড়া দিদারের বিরুদ্ধে বিয়ে করার অভিযোগ রয়েছে। তার উকিল শশুর হলেন জামায়াতে ইসলামীর রুকুন ও কুমিল্লা মহানগরী শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সেক্রেটারি মু. রেজাউল ইসলাম রফিক।

তার চাচাতো ভাই মাওলানা রাশেদুল ইসলাম জামায়াতে ইসলামীর রুকুন ও ছাত্রশিবিরের সাবেক সদস্য।

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের প্রশিক্ষন বিষয়ক সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম শামীমের বিরুদ্ধে রয়েছে ঘোরতর ছাত্রদল সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ছাত্রদলের সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলো শামিম। পরে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতা হলেও ২০১৪ সালের নির্বাচনের সময় রাজনীতি না করার ঘোষণা দিয়ে তিনি আত্মগোপনে চলে যান। শামিমের পরিবারের একাধিক সদস্য বিএনপির জ্বালাও-পোড়াও রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে মামলা রয়েছে। চাঁদপুরের কচুয়ায় তার বাড়ির পাশেই কুমিল্লা শহর ছাত্রশিবিরের সাবেক সেক্রেটারি হাফেজ হুমায়ন কবিরের বাড়ি। শামীমের পরিবারের বিরুদ্ধে প্রতিবছর জামায়াত কতৃক আয়োজিত তাফসির মাহফিলে আর্থিকভাবে সহায়তা করার অভিযোগ রয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সদ্য সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোতাহের হোসেন প্রিন্সের বিরুদ্ধে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে। মাদ্রাসা ব্যাকগ্রাউন্ড প্রিন্স অষ্টম শ্রেণীতে থাকাবস্থায়ই শিবিরের রাজনীতিতে সক্রিয় হন। এছাড়া প্রিন্সের বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধেও ছাত্রদলের রাজনীতি করার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া তিনি ইসলামিক স্ট্যাডিজ বিভাগের ছাত্র হলেও স্নাতকোত্তর শেষ করতে পারেননি। পরে সান্ধ্যকালিন অপরাধ বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হলেও চার বিষয়ে ফেল করেন। তার বিরুদ্ধে রোকেয়া হলের ৭ই মার্চ ভবন থেকে ৮০লাখ টাকা, তমা কনস্ট্রাকশনের দ্বারা নির্মিত শিববাড়ি মোড়ের শিক্ষক কোয়ার্টার থেকেও ৭০ লাখ টাকা চাদাঁবাজির অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া প্রিন্সের আপন ভগ্নিপতি আব্দুল আলিম খোকন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

উপ গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক শেখ ইনানের বিরুদ্ধে বিজয় একাত্তর হলের ক্যান্টিনে চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া হলে কর্মচারী নিয়োগ বানিজ্যের অভিযোগ আছে। বরিশাল শহরের প্রাণ কেন্দ্রে হোটেল ব্যবসায় জড়িত আছে ইনান।
কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের উপ আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক আরিফুজ্জামান আল ইমরান বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার কালমেঘা ইউনিয়নের বাসিন্দা। তার বাবা আহমেদ মতি (এলাকায় মতি মেম্বার নামে পরিচিত) একসময় বরগুনা-০২ আসনের বিএনপির সাবেক এমপি নুরুল ইসলাম মনির ঘনিষ্ঠ সহচর ছিলেন। বিএনপির সাবেক এমপি নুরুল ইসলাম মনি ২০০১ পরবর্তী সময়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামে মহান জাতীয় সংসদে নিন্দা প্রস্তাব আনেন। আর সেই এমপির ঘনিষ্ঠ সহচরের ছেলে চাইছেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের পদ। এছাড়াও তার বাবা দীর্ঘদিন পাথরঘাটা উপজেলার কালমেঘা ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তাছাড়া ইমরানের বিরুদ্ধে রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মুহাম্মদ মুহসীন হলে মাদক ব্যবসার অভিযোগ। এছাড়াও ইমরান ও তার বড় ভাই কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের যুগ্ন সম্পাদক আসাদুজ্জামান নাদিমের প্রভাব খাটিয়ে এলাকায় তার ফুপাতো ভাই রায়হান মাদক ব্যবসা, ধর্ষণ ও হত্যাসহ নানা অপকর্মে জড়িত ছিলো। বর্তমানে তরুনী ধর্ষনসহ হত্যা মামলায় তিন দফা রিমান্ড শেষে রায়হান এখন কারাগারে রয়েছে।

কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ম.সাইফউদ্দিন বাবু এর আপন চাচা সাজন উদ্দীন ভুইয়া ২০০১ সালে কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলার কাস্তল ইউনিয়নের বিএনপি মনোনীত ইউপি চেয়ারম্যান।
কেন্দ্রীয় কমিটির কৃষি শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক বরকত হোসেন হাওলাদার। তার বাড়ি বরিশালে। তিনি দলীয় কোন্দলের জের ধরে শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের গণরুমের বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীকে আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে ভয় দেখানোর দায়ে ২০১১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রত্ব হারান। সংগীত বিভাগের এ শিক্ষার্থী পরবর্তীতে বেসরকারি স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জার্নালিজমে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর করেন। বর্তমানে তিনি ঢাবির সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটে সান্ধ্যকালীন একটি মাস্টার্স কোর্সে ভর্তি আছেন। নানা কারণেই বিতর্কিত বরকত এখন ছাত্রলীগের শীর্ষ পদপ্রত্যাশী।
তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কৃত হওয়ায় নেতাকর্মীদের বড় একটি অংশ চান না বরকত হোসেন হাওলাদার সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে আসুন। এছাড়া তার বিরুদ্ধে চাঁদনীচকসহ নিউমার্কেট এলাকায় চাঁদাবাজির অভিযোগ আছে। ২০১০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা চলাকালে নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষে জড়ান বরকত। এ ঘটনার দায়ে ৩০ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি ও দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে বরকতকে ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়। তখন তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক একাডেমিক ব্যবস্থা নিতে বিশ্ববিদ্যালয়কে অনুরোধ করে ছাত্রলীগ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-সভাপতি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের পদপ্রত্যাশী শাহরিয়ার কবির বিদ্যুতের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার অভিযোগ আছে।
কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের আইনবিষয়ক উপ-সম্পাদক হোসাইন সাদ্দাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১০-১১ সেশনে ভর্তি হলেও এখনো স্নাতক শেষ করতে পারেননি। উত্তরাঞ্চল পঞ্চগড়ের এই ছাত্রনেতার বাবা মুক্তিযোদ্ধা হলেও পরিবারের সঙ্গে স্থানীয় জামায়াত নেতাদের ভালো সম্পর্ক রয়েছে। পাশাপাশি বাড়ি হওয়ায় তার বাবার সঙ্গে স্থানীয় বোদা থানা জামায়াতের আমিরের সুসম্পর্ক বহুদিনের।
বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি মাদারীপুরের আরেফিন সিদ্দিক সুজন সাবেক বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান মোল্লার অনুসারী। তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, হলে ফাউ খাওয়া, বহিরাগত সন্ত্রাসীদের হলে আশ্রয় দেয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগ আছে। ২০১৬ সালে মাস্টার দা সূর্যসেন হলে তার কক্ষ থেকে অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ ও হল প্রশাসন। সুজনের বাবা পাকিস্তান আমলে জামায়াতের সক্রিয় সদস্য ছিলেন। তার মেজ ভাই নাহিদুল ইসলামও বিএনপি রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।
কেন্দ্রীয় কমিটির ত্রাণ ও দুর্যোগবিষয়ক সম্পাদক ইয়াজ আল রিয়াদ এর আত্মীয়-স্বজন বেশির ভাগই বিএনপি-জামায়াতপন্থী। তার চাচাতো ভাই আলমগীর চাপরাশি এলাকায় ইউনিয়ন জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক। আরেকজন বিএনপি নেতা। তার ভাই মুরাদ মেম্বারের বিরুদ্ধে নারী লাঞ্ছনা, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধে বেশ কয়েকটি মামলা আছে।
আরও অভিযোগ আছে ইয়াজ বঙ্গবন্ধু হলের সাধারণ সম্পাদক থাকাকালীন গত ৫জানুয়ারি নির্বাচনের আগে বিএনপির জ্বালাও পোড়াও আন্দোলনে হল থেকে তার কর্মীদের একটি অংশকে ছাত্রদলের প্রোগ্রামে পাঠাতেন ব্যালেন্স করার জন্য।
কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক গোলাম রব্বানী দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রলীগে আলোচনায় আছেন। তবে আত্মপ্রচারের কারণে নেতাকর্মীদের কাছে নিজেকে হাস্যকর করে তুলেছেন রব্বানী। বিভিন্ন সেবামূলক কাজ করে ফেসবুকসহ অখ্যাত কিছু অনলাইন পোর্টালে নিউজ করে নিজের প্রচারণা করে থাকেন বলে অভিযোগ গোলাম রব্বানীর বিরুদ্ধে। এলাকায়ও তেমন একটা পরিচিত নন রব্বানী।
সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান তাপসের বিরুদ্ধে হলে ও হলের আশপাশের এলাকায় চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে। চাঁদা না পেয়ে হলের ক্যান্টিন বন্ধ করে দেয়া, ফটোকপির দোকান বন্ধ করে দেয়ার অভিযোগ তার বিরুদ্ধে।
পদপ্রত্যাশী মাস্টার দা সূর্যসেন হলের সভাপতি মো. গোলাম সরওয়ারের বিরুদ্ধে নিজ দলের নেতাকর্মীকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে নিউমার্কেট থানায় একটি মামলা হয়েছিল।
গোপালগঞ্জের আমিনুল ইসলাম বুলবুলের বিরুদ্ধে নিজ এলাকায় এক ব্যক্তিকে হত্যাচেষ্টার মামলা রয়েছে। ২০১০ সালের ৩ মে শেখ কুদ্দুস নামে এক ব্যক্তিকে দা দিয়ে কুপিয়ে আহত করার ঘটনায় বুলবুল এক নম্বর আসামি। গোপালগঞ্জ থানায় মামলা নং-২৭২।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি বায়েজিদ আহমেদ খান  এর বিরুদ্ধে দক্ষিণ সিটির বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজির অভিযোগ আছে। এ ছাড়া তিনি বিবাহিত বলে অভিযোগ রয়েছে।
জসীম উদদীন হলের সাধারণ সম্পাদক রাজবাড়ীর শাহেদ খানের বিরুদ্ধে এক শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করার অভিযোগ আছে। ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে তার নির্দেশে ওই হলের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী মো. রিফাত ইসলামের অস্ত্রোপচার করা ক্ষতস্থানে লাথি মারেন তার সহযোগীরা। এ ছাড়া হলে ইন্টারনেট বাণিজ্যেরও অভিযোগ তার বিরুদ্ধে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলের সভাপতি শাহরিয়ার সিদ্দিক শিশিমের বিরুদ্ধে চাঁনখারপুলে নিয়মিত চাঁদাবাজির অভিযোগ আছে। গত বছরও চাঁনখারপুল মোড়ে মিষ্টির দোকান বনফুল থেকে চাঁদা না পেয়ে ম্যানেজারকে তুলে আনেন তার অনুসারীরা। পরবর্তীতে তাকে দিনভর নির্যাতন করেন তারা।
ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক হাবিবুল্লাহ বিপ্লবের বিরুদ্ধে ২০১৪ সালের আগে ছাত্রদল করার অভিযোগ রয়েছে। শুধু তাই নয়, তার পরিবারও বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত বলে জানায় তার এলাকার লোকজন।
পদপ্রত্যাশী কেন্দ্রীয় কমিটির কর্মসংস্থানবিষয়ক সম্পাদক রাকিব হোসেনের বিরুদ্ধেও ছাত্রদলের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে। বগুড়ায় তার আত্মীয়-স্বজনদের অনেকে বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত বলে তার এলাকার ছাত্রলীগের অনেক নেতা দাবি করেছেন।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ২৯তম জাতীয় সম্মেলন প্রসঙ্গে আওয়ামীলীগ ও ছাত্রলীগের সাবেক ও বর্তমান একাধিক নেতা জানান, ছাত্রলীগে এবার আর কোন বিএনপি জামায়াতের গুপ্তচর প্রবেশ করতে পারবে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজে এবার কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নেতৃত্ব বাছাই করবেন। তাই এবারের কমিটি শিবির, বিএনপি ও সন্ত্রাসী মুক্ত হবেন বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

Comments

comments

সাম্প্রতিক সংবাদ

এনএসএ-র জরিপ: কালকের নির্বাচনে কে হচ্ছেন ডাকসুর নেতা

7 years ago

এনএসএ-র জরিপ: কালকের নির্বাচনে কে হচ্ছেন ডাকসুর নেতা

7 years ago
ক্যাম্পাস থেকে ঢাবি’র ছাত্রকে তুলে নিল ডিবি পুলিশ

ক্যাম্পাস থেকে ঢাবি’র ছাত্রকে তুলে নিল ডিবি পুলিশ

7 years ago

জনপ্রিয় সংবাদ

    • আমাদের সম্পর্কে
    • বিজ্ঞাপন
    • ক্যারিয়ার
    • যোগাযোগ

    © 2018 Joy Bangla, All Right Reserved

    No Result
    View All Result
    • হোম
    • মুক্তিযুদ্ধ
    • মানবতাবিরোধী অপরাধ
    • জাতীয়
    • সারাদেশ
    • জয়বাংলা ফিচার
    • শিক্ষাঙ্গন
    • খেলা
    • বিনোদন
    • অন্যান্য

    © 2018 Joy Bangla, All Right Reserved